RE:KATZRONNIE: YOU_Have_Won_An IPhone 14 PRO!
Fill YOUR Delivery Address! Click Here!


সেই সুবাদে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গিয়ে গান করেছেন আকবর। তবে জীবনের শেষ সাত বছর নানা রকম অসুস্থতায় ভোগেন এই শিল্পী। বছর খানেক আগে আকবর যখন রাজধানীর পিজি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন, তখন চ্যানেল আই অনলাইনকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, 'ফেসবুকে অনেকেই শিল্পীদের নিয়ে বাজে মন্তব্য করে। এটা দেখে আমি ভীষণ কষ্ট পাই।' দর্শক শ্রোতাদের উদ্দেশ্যে অনুরোধ করে আকবর বলেছিলেন, প্লিজ আপনারা শিল্পীদের নিয়ে বাজে মন্তব্য করবেন না। আকবর আরও বলেছিলেন, কাউকে নিয়ে বাজে কথা বলার আগে ভেবে চিন্তে বলা উচিত। দেশের বড় বড় শিল্পীরা সবাই চলে যাচ্ছে। আপনারা অবহেলা কইরেন না। আপনাদের দোয়া পেলে আমাদের ভালো লাগে। সেই সাক্ষাৎকারে আকবর এও বলেছিলেন, সব শিল্পীরা খারাপ না। সবাই খারাপ হলে এই পৃথিবী থাকতো না। আমি আকবর মানুষটা খারাপ না। আমি খুনি না, কোনো দোষ করিনি। রাস্তায় চলেছি, গান করেছি কিন্তু কখনো কারও ক্ষতি করিনি। দয়া করে আমাকে কেউ খারাপ কথা বলবেন না। আমার খুব ইচ্ছে হচ্ছে অনেকদিন গান করি। আবার মানুষের মধ্যে গিয়ে গান করি। বাংলাদেশ টেলিভিশন মূলে ২০০৩ সালের ২৫ ডিসেম্বরে স্যাটেলাইট টেলিভিশনে সম্প্রচার শুরু করার পরিকল্পনা করেছে, যা এর ৩৯তম বার্ষিকীতে ঘটে, কিন্তু প্রযুক্তিগত অসুবিধার কারণে এটি স্থাগিতদেশ হয়। ২০০৪ সালের ১১ এপ্রিলে বিটিভি ওয়ার্ল্ডের উদ্বোধনের সাথে এটি স্যাটেলাইটে সম্প্রচার শুরু করে। এটি হংকংয়ের এশিয়াস্যাট ৩ এর মাধ্যমে সম্প্রচার করেছে, স্যাটেলাইটের ব্যান্ড সি ব্যবহার করে, যা ওশেনিয়া, এশিয়া, এবং ইউরোপ কভার করেছে। বিটিভি ওয়ার্ল্ড আন্তর্জাতিক দর্শকদের জন্য ইংরেজি ভাষার অনুষ্ঠান প্রযোজন করার পরিকল্পনাও করেছে।[১] ২০১২ সালের ৫ নভেম্বরে বিটিভি ঢাকা স্যাটেলাইটে ২৪-ঘণ্টার সম্প্রচার শুরু করে এবং, এর টেরেস্ট্রিয়াল ফিডের সম্প্রচার বন্ধের সময়, বিটিভি ওয়ার্ল্ডের সম্প্রচার সিমুলকাস্ট করা শুরু করে।[৩] ২০১৭ সাল হিসেবে এশিয়াস্যাট ৭ স্যাটেলাইটের মাধ্যমে বিটিভি বিশ্বের ৪৯ দেশে সম্প্রচার হচ্ছিল, অন্তর্ভূক্তে পুরো এশিয়া মহাদেশ।[৪][৫] ২০১৮ সালে বিটিভি ওয়ার্ল্ড বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট ব্যবহার করে সম্প্রচার শুরু করে।[৬] ২০১৯ সালের ২ সেপ্টেম্বরে ভারতের ডিডি ফ্রি ডিশে বিটিভি ওয়ার্ল্ড সম্প্রচার শুরু করে।[৭][৮] ২০২০ সালের ১০ এপ্রিলে বিটিভি মধ্যপ্রাচ্য এবং উত্তর আফ্রিকায়ও সম্প্রচার শুরু করে।[৯] ২০২১ সালের মেতে বিটিভি ওয়ার্ল্ড, এর ভ্রাতৃপ্রতিম চ্যানেলসমূহ সহ, বিশ্বজুড়ে স্ট্রিম করার জন্য বিটিভি অ্যাপে উপলব্ধি করা হয়।[১০] যেহেতু বিটিভিতে ২০২১ আইসিসি পুরুষ টি২০ বিশ্বকাপ প্রচার হচ্ছিল, ২০২১ সালের ২৯ অক্টোবরে জনপ্রিয় ইত্যাদি অনুষ্ঠান, যা সাধারণত উভয় চ্যানেলে প্রচারিত, শুধু বিটিভি ওয়ার্ল্ডে প্রচার হয়েছিল।[১১] ২০২২ সালের মেতে বাংলাদেশ সরকার দেশের বিমানবন্দরে এর ভ্রাতৃপ্রতিম সহ বিটিভি ওয়ার্ল্ডের সম্প্রচারের আদেশ দেয়।[১২] ৫৩ বছর বয়সে রবিবার ৩টার দিকে দুপুরে রাজধানীর পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন আকবর। সোমবার (১৪ নভেম্বর) জন্ম শহর যশোরে মায়ের কবরের পাশে পারিবারিক কবরস্থানে সমাহিত হবেন 'হাত পাখার বাতাস' খ্যাত শিল্পী। As a young man destined to serve in the navy, Prince George served for many years under the command of his uncle, Prince Alfred, Duke of Edinburgh, who was stationed in Malta. There, he grew close to and fell in love with his cousin, Princess Marie of Edinburgh. His grandmother, father and uncle all approved the match, but his mother and aunt—the Princess of Wales and Maria Alexandrovna, Duchess of Edinburgh—opposed it. The Princess of Wales thought the family was too pro-German, and the Duchess of Edinburgh disliked England. The Duchess, the only daughter of Alexander II of Russia, resented the fact that, as the wife of a younger son of the British sovereign, she had to yield precedence to George's mother, the Princess of Wales, whose father had been a minor German prince before being called unexpectedly to the throne of রবিবার সকালে পিজি হাসপাতালের ভিসির সঙ্গে আলাপ করে দুপুরে বারডেম থেকে এই হাসপাতালে আকবরকে এনেছিলেন তার স্ত্রী কানিজ। কিন্তু চিকিৎসা শুরুর আগেই মারা যান। কান্নায় ভেঙে পড়ে কানিজ বলেন, বুধবার রাতে মেয়ে ও আমার মাথায় শেষবার চুমু দিয়েছিল। তার চিকিৎসার জন্য অনেক কষ্টে টাকা ম্যানেজ করেছি যেন চিকিৎসার কোনো ত্রুটি না হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মানুষটাকে ধরে রাখতাম পারলাম না। এখন আমাদের কী হবে? অসুস্থ থাকাকালীন যখন জ্ঞান ছিল, তখন একমাত্র মেয়ে অথৈয়ের জন্য বেশী চিন্তা করতেন আকবর। তার স্ত্রী কানিজ বলেন, আকবর যদি কারও কাছে কখনো অন্যায় করে থাকে সবাই যেন তাকে ক্ষমা করে দেয়। বলেই কাঁদতে কাঁদতে হাসপাতালের ফ্লোরে লুটিয়ে পড়েন আকবরের স্ত্রী! পাশেই ছিল আকবরের একমাত্র কন্যা অথৈ। কাঁদতে কাঁদতে সে বলে, আব্বু আমার কপালে চুমু দিয়ে বলেছিল এটাই শেষ চুমু। আমি হয়তো আর ফিরবো না। তোর আর তোর মাকে বানের জলে ভাসিয়ে দিয়ে গেলাম। তোরা যেকোনভাবে ভালো থাকিস। তুই মানুষের মতো মানুষ হয়ে থাকিস। সবাই আমার আব্বুর জন্য দোয়া করবেন। সারাজীবন দেশের মানুষ যেন আমার আব্বুকে ভালোবাসে। ২০০৩ সালে যশোর এম এম কলেজের একটি অনুষ্ঠানে গান গেয়েছিলেন আকবর। সেবার বাগেরহাটের এক ভদ্রলোক আকবরের গান শুনে মুগ্ধ হয়েছিলেন। তারপর তিনি জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান 'ইত্যাদি'তে চিঠি লেখেন আকবরকে নিয়ে। এরপর ইত্যাদির টিম আকবরের সঙ্গে যোগাযোগ করে। ওই বছরই ইত্যাদিতে 'একদিন পাখি উড়ে যাবে যে আকাশে, ফিরবে না সেতো আর কারও আকাশে'- কিশোর কুমারের এ গানটি গেয়ে রাতারাতি পরিচিতি পেয়ে যান। এরপর আকবরকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। তিনি গায়ক পরিচয়ে পরিচিতি পান। পরে আকবরের 'তোমার হাত পাখার বাতাসে' গানটি তুমুল জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন। যশোর শহরের অলিগলিতে রিকশা চালাতেন আকবর। খুলনার পাইকগাছায় জন্ম হলেও আকবরের বেড়ে ওঠা যশোরে। টুকটাক গান করতেন আর রিকশা চালাতে। তবে গান নিয়ে ছোটবেলা থেকে হাতেখড়ি ছিল না। আকবরের ভরাট কণ্ঠের গানের কদর ছিল যশোর শহরে। সে কারণে স্টেজ শো হলে ডাক পেতেন।
No comments:
Post a Comment